গ্রুপের কার্যক্রম দেখতে ক্লিক করুন
প্রথমেই বলে রাখা ভাল, এগুলো হচ্ছে নারায়ণগঞ্জ মিটিং এ উপস্থিত আগ্রহীদের মতামত, সিদ্ধান্ত না। সিদ্ধান্ত নেয়া হবে ঢাকা চ্যাপ্টারের মিটিং শেষ হবার পর। মুলকথা সকল মেম্বারদের মতামদের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে।
১। যেহেতু আমরা
সকলেই একটি ভার্চুয়াল প্লাটফর্ম থকে মিলিত হতে যাচ্ছি তাই সকলের মধ্যে চেনাজানার একটা
বিষয় আসে, এজন্য কয়েকটি মিটিং করে নিজেদের মধ্যে বন্ডিং অথবা রিলেশনশীপ স্ট্রং করা
যেতে পারে।
২। কমিউনিটি
শক্তিশালী করার লক্ষে আমাদের সকলকেই একসাথে কাজ করতে হবে। নিজেদের পরিচিতির জন্য একটি
ফেজবুক গ্রুপ এবং পেজ ক্রিয়েট করে সেটাতে ভিজিটর বাড়াতে হবে সকলে মিলে তাহলে
কমিউনিটির পরিচিতির সাথে সাথে পরবর্তিতে আমাদের সেবা কিংবা পন্য মার্কেটে পরিচিতি
কিংবা সেলের কাজ সহজ হবে। যে কোন প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করলে সেটাকে সহজেই পরিচিতি
দিতে পারবো কারন সোশ্যাল মিডিয়া এখন অনেক বড় একটা মাধ্যম।
৩। নিজেদের ইনভেস্ট
এর পরিস্থিতি বুঝে একসাথে ছোট ছোট ২-৩ টা প্রজেন্ট নিয়ে কাজ করলে রিক্স কম থাকবে। ছোট
ছোট প্রজেক্ট নিজেদের মেধা এবং জনশক্তির দ্বারা এক্সপান্ড করা যেতে পারে।
৪। আমাদের
প্রতিষ্ঠানের ধরন প্রাইভেট লিমিটেড হতে পারে। পরবর্তিতে প্রাইভেট লিমিটেড কে
পাব্লিক লিমিটেডে রুপান্তর করা যাবে।
৫। প্রথম মিটিং শেষে
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরি করার আগে রেজীট্রেশন ফী (আনুমানিক ১০০০ টাকা), ধার্য করা
যেতে পারে, এতে করে আগ্রহী মেম্বার সনাক্তকরনের পাশাপাশি প্রয়োজনীর কাগজপত্র তৈরির
জন্য আমাদের মুলধনে হাত দেয়া লাগবেনা। রেজীট্রেশন ফী অফেরতযোগ্য হবে।
৬। আমাদের এজেন্ডার
৭-১০ নির্ভর করে প্রতিষ্ঠানের ধরনের উপর। এই সিদ্ধান্ত প্রাথমিকভাবে নেয়া
যাচ্ছেনা।
৭। শুরু করার পর
সদস্য নেয়া যেতে পারে তবে সেটা নির্দিষ্ট সময় পর। যেমন ১ বছর নিজেদের ফান্ডে
নিজেদের সাধ্যের মধ্যে ব্যবসা পরিচালনা হবে পরবর্তিতে ব্যবসা প্রসারের জন্য
অতিরিক্ত ফান্ড লাগলে সেটার জন্য অতিরিক্ত সদস্য নেয়া যেতে পারে। সেক্ষেত্রে তারা
শেয়ার থাকবে শুধুমাত্র, প্রতিষ্ঠানের মেজর পদে আসতে পারবেনা।
৮।এখন যারা
কমিনিটিতে থাকবে তাদের শেয়ার থাকবে ইকুয়াল বেসিস।প্রাথমিক কাজ সম্পাদের জন্য একটি
অস্থায়ী কমিটি করা লাগবে।
৯। প্রাথমিক ভাবে
ইন্টারনাল এগ্রিমেন্ট করে তারপর ফান্ড কালেক্ট করা যেতে পারে। ফান্ট কালেকশন হতে
পারে ২ ভাবে কেউ চাইলে একবারে দিয়ে দিতে পারে কিংবা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে
কিস্তিতে জমা দিতে পারে। সে ক্ষেত্রে ব্যাংক রিসিপ্টের পাশাপাশি কমিউনিটির ফান্ড
কালেকশনের দায়িত্বে থাকা সদস্য তাকে কমিউনিটির পক্ষ থেকেও রিসিপ কপি প্রদান করতে
বাধ্য থাকবে। এসব করা হবে সকল কাগজপত্র স্ট্রং ভাবে তৈরি করার পর।
১০। কোন সদস্য চাইলে
তার স্থানে অন্য কোন সদস্য কিংবা ফ্যামিলি মেম্বার রিপ্লেস করতে পারবেনা। কিন্তু
চাইলে সে কমিউনিটি থেকে লিভ নিতে পারবে সেক্ষেত্রে শর্তাবলী থাকবে এবং সময়সীমা
বেধে দেয়া হবে। রিফান্ড এবং লভ্যাংশের ব্যপারে নীতিমালা থাকতে হবে যেমন ৬ মাসের আগে
লিভ নেয়ার এপ্লিকেশন করতে পারবে কিন্তু ৬ মাস পর এপ্রুভাল পাবে। তার পর কেউ যদি
লিভ নিতে চায় ২-৩ মাস টাইম দিতে হবে রিফান্ড পাবার জন্য। ১ বছরের মধ্যে লিভ নিলে
কোন লভ্যাংশ পাবেনা কারন একটি প্রতিষ্টানের ১ বছর হল টার্নিং পয়েন্ট।
১১। লিভ নেয়া
মেম্বারের শুন্যস্থান পুরন করার জন্য বাইরে থেকে নতুন সদস্য যুক্ত করা যাবে সেটা
কমিউনিটি পরিচালনা কমিটি সিদ্ধান্ত নেবে। লিভ নেয়া এপ্লিকেশন পাবার পর কমিটি ১০-১৫
দিন টাইম নিতে পারে এপ্লিকেশন এপ্রুভাল দেয়ার জন্য।
১২। মতামত দিবে সকম
সদস্য কিন্তু সিদ্ধান্ত নিবে কমিটি কারন সকলে সিদ্ধান্ত নেয়া সম্ভব না। যৌথ ব্যবসা
করতে গেলে চেইন অফ কমান্ড জরুরী।
১৩। পরিচালনা কমিটি
৭-১১ জন্য হতে পারে সেটা নির্ভর করে সকলের মতামত এবং ভোটের ভিত্তিতে।
১৪। ১৬-১৭ নাম্বার
এজেন্ডা প্রাথমিক আলোচনার সিদ্ধান্ত নেয়া যাবেনা।
১৫। ফান্ড কালেকশন
শুরু হবে সকল কাগজপত্র তৈরি করার পর। এর জন্য একজন ভাল উকিল এবং একজন একাউন্টেন্ট
এর সহযোগীতা নেয়া যেতে পারে।

Thats great👍 its really being a brilliant start . I am agree with this foundation. Here maybe will something update in next dhaka meeting.
ReplyDeleteThanks a ton :) see you on Dhaka Meeting InShaAllah
Delete