Popular Posts

Saturday, January 5, 2019

কাস্টমার, কনজ্যুমার, ক্লায়েন্ট কেমন হয়? কাকে কিভাবে ডিল করবেন?




যখনি কেউ কোন পণ্য বা সেবা ক্রয় করে, সে কাস্টমার। আর যে ব্যাবহার করে সে হচ্ছে কনজ্যুমার।

এখানে একজন কাস্টমার চাইলে নিজের ব্যাবহারের জন্যেও পণ্য ক্রয় করতে পারেন। আবার ব্যাবসা করা, উপহার দেয়া বা পরিবারের অন্য সদস্যদের জন্যেও কিনে থাকতে পারেন।

আবার কনজ্যুমার যিনি, তিনি পণ্য নিজে নাও কিনতে পারেন। অন্য কেউও তাকে কিনে দিতে পারে।


উপরোক্ত বিষয়গুলো বিবেচনা করে কাস্টমারের দুইটি প্রকারভেদ করা হয়েছে।

১/ ট্রেড কাস্টমারঃ (Trade Customer) যিনি পণ্য কিনে সেই অবস্থায় অথবা তাতে পরিবর্তন এনে পুনরায় বিক্রয় করে থাকেন।

২/ ফাইনাল কাস্টমারঃ (Final Customer) যিনি নিজের ব্যাবহারের জন্য পণ্য কিনে থাকেন। তিনি একইসাথে কাস্টমার এবং কনজ্যুমার।

এছাড়াও ব্যাবসায়িক পারপাসে কাস্টমারের বিভাজন করার জন্য RFM Classification ব্যাবহার করা হয়ে থাকে।

বব স্টোনের আবিস্কৃত এই ক্লাসিফিকেশনকে বিহেবিয়রাল ক্লাসিফিকেশনও বলা হয়ে থাকে।

R (Recency) – শেষ কবে একজন ক্লায়েন্ট আপনার থেকে পন্য নিয়েছে তার উপর ভিত্তি করে এই ক্লাসিফিকেশন করা হয়ে থাকে।

F (Frequency) – কত অল্প সময়ের ব্যাবধানে একজন কাস্টমার পন্য ক্রয় করে তার উপর ভিত্তি করে এই ক্লাসিফিকেশন করা হয়। নিয়মিত এবং অনিয়মিত।

M (Money) – কোন কাস্টমার বেশী টাকা ব্যয় করে তার হিসেব করে ডিভাইড করা হয়।

এছাড়াও আরো অনেক ভাবে কাস্টমারের ক্লাসিফিকেশন করা হয়

✔ লয়েল কাস্টমার

✔ ডিসকাউন্ট কাস্টমার

✔ ইমপালসিভ কাস্টমার

✔ নিড বেসড কাস্টমার

✔ ওয়ান্ডারিং কাস্টমার

এবার আসি কনজ্যুমার নিয়ে। এখানে শুধু সেসকল কনজ্যুমার নিয়ে কথা বলা হয়েছে, যারা একসাথে কাস্টমার এবং কনজ্যুমার।


👨‍💼 কনজ্যুমারের প্রকারভেদ প্রায় এক ডজন!

আরগুমেন্টেটিভ কনজ্যুমার হচ্ছে তারা যে সকল ক্লায়েন্ট প্রচুর দরদাম এবং পন্যের গুনগত মান নিয়ে সে অনেক ভালো জানে এরকম একটি উপস্থাপন করবে। এদেরকে কিঞ্চিত ট্রিকি ওয়েতে হ্যান্ডেল করতে হয়। প্রথমত তাকে যথেস্ট পরিমানে বলার সুযোগ দিতে হয়। যথাসম্ভব বিতর্ক এড়িয়ে যেতে হয়।

" এজ লাইক এজ,কাস্টমার ইজ অলওয়েজ রাইট "

📌 স্কাই টাইপ কাস্টমার হচ্ছে নার্ভাস এবং পন্য ক্রয়ের ব্যাপারে অনভিজ্ঞ। পন্যের মান নিয়ে কনফিউজড থাকে, এবং কিছুটা লাজুক সভাবের হওয়াতে এরা ইচ্ছামত প্রশ্নও করে না। চট করে আস্থা তৈরি না হলে এরা না কিনেই ব্যাক করে।

এই ক্ষেত্রে বিক্রেতার করনিয় হল, তাদেরকে প্রথম থেকেই গুরুত্ব দেয়া, পন্যের বিষয়ে সাজেশন দেয়া। আমার পন্য ভালো হবে এই টাইপ না বলে, আপনার জন্য এই পন্যটি ভালো হবে, এভাবে প্রেজেন্ট করা।

📌 সাইলেন্ট কনজ্যুমাররা কথাবার্তা বলতে চায় না। এমনকি তাদেরকে আস্ক করলেও সবসময় উত্তর দেয় না। এরা স্কাই টাইপ কনজ্যুমার থেকেও এক ডিগ্রী উপরে।

এদের আরো কৌশলে হ্যান্ডেল করতে হয়।

📌 বাচাল কনজ্যুমাররা হচ্ছে সাইলেন্ট কনজ্যুমার এর ঠিক বিপরীত। এরা প্রয়োজন থেকেও দুই লাইন বেশী কথা বলবে। এসের ডিল করা তুলনামূলক সহজ। কারন, তাকে কিভাবে প্রেজেন্ট করলে সে নেবে, সেটা সে তার কথায়ই প্রকাশ করে দেয়।

📌 সন্দেহপ্রবন কনজ্যুমার রা বেশ কমপ্লেক্স। তারা সবসময় এরকম একটা মানসিকতা বহন করে যে, সকল ব্যাবসায়ী তাকে ঠকানোর জন্য বসে আছে। এরা প্রচুর উল্টাপালটা প্রশ্ন করে যে, অনেক সময় সেলস পারসনের রাগ ধরে রাখতেই কস্ট হয়। এদের এটিচিউড থাকে যে, সে পরিক্ষক আর বিক্রেতা পরিক্ষার্থী। এমনকি এদের ফিক্সড প্রাইসের দোকানেও দরদাম করতে দেখা যায়।

এদের হ্যান্ডেল করতে গেলে, পন্যের মানের ব্যাপারে সুক্ষ ব্রিফিং, প্রমানসরুপ কোন ডেমো ইত্যাদি প্রদান করা যেতে পারে।

📌 ফ্রেন্ডলি টাইপ কাস্টমার রা বেশ জেন্টেলম্যান (আমার মতো)। এরা খুব একটা বারগেইন করে না। পন্যের মানের ব্যাপারেও বিক্রেতার উপর আস্থা রাখে। আগের কোন মন্দ অভিজ্ঞতা থাকলে সেটিও শেয়ার করে এবং আশা করে যে, এভার ভালো সেবাটি পাবে।

📌 হেজিটেন্ট কনজ্যুমার রা সব সময় সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগে। ছোটবেলা থেকে যারা বাবা মায়ের পছন্দে সব কেনাকাটা করে এসেছে, তাদেরকে এই টাইপের মধ্যে সহজেই পাওয়া যায়।

এদের হ্যান্ডেল করতে গেলে পন্যের অনেক ধরনের ভেরিয়েশন না দেখিয়ে একটিতে ফোকাস করতে হবে।

📌 ইমপেশেন্ট বা অধৈর্য কাস্টমাররা খুবই এটেনশান সিকার হয়। তারা চায় যে কোন একটি শপে প্রবেশ করা মাত্রই সেলস পারসোন আগ্রহ নিয়ে তার কাছে আসবে এবং তার কি প্রয়োজন জানতে চাইবে। এইটুকু এটেনশন না পেলে তারা অনেক সময় ক্রয় না করেই দোকান ত্যাগ করে।

যদিও অনেকক্ষেত্রে দোকানদাররা ভাবে যে, ধুর! একজন গেলে কি হবে! কিন্তু অধিকাংশক্ষেত্রে এরাই বিগ এমাউন্টের কাস্টমার হয় এবং খুব বেশী দরদামও করে না।

📌 সার্কাস্টিক কাস্টমার হচ্ছে সব কিছু নিয়ে মজা করা লোকজন। এরা অনেক সময়ই সেলসপারসোন কে নিয়ে অথবা পন্য নিয়ে ফাজলামো করে থাকে। মোস্ট ব্যাটার ওয়ে হচ্ছে, তাদের ফাজলামোগুলোকে গুরুত্ব না দিয়ে স্রেফ ইগনোর করা।

📌 পম্পাস টাইপ কাস্টমার নিজেকে নিয়ে সব সবসময় গর্বিত। তার অর্থ সম্পদ, ক্লাস, জ্ঞান, ফ্যামিলি ব্যাকগ্রাউন্ড, সামাজিক অবস্থান ইত্যাদি নিয়ে সবসময়ই খুব হ্যাপি এরা।

এদেরকে হাই প্রাইস এবং বেস্ট কোয়ালিটি প্রোডাক্ট প্রেজেন্ট করতে হয়। ডিসকাউন্ট, বোনাস এসব কখনোই না।

📌 রুড টাইপ কাস্টমার সবসময় সেলস পারসোনদের সাথে উদ্ধত আচরণ করে। এদের সাথে তর্কে যাওয়া এবং ম্যানার শেখাতে যাওয়া উচিৎ নয়। তার আচরণ ইগনোর করে প্রোডাক্ট বা সার্ভিস ব্রিফিং এ গুরুত্ব দিতে হবে।

📌 প্রতিবন্ধী কাস্টমার, এরা সবসময় স্পেশাল কেয়ার ডিজার্ভ করে। এদের সাথে আচরনে কখনোই আর দশ জন কনজ্যুমার থেকে চেঞ্জ আনা যাবে না।

📌 ইম্পালসিভ টাইপ কনজ্যুমার হচ্ছে এক্সিকিউটিভ টাইপ পারসোন। এরা দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়, পন্যের মান কিংবা প্রাইস নিয়ে খুব একটা মাথা ঘামায় না এবং সহজেই বিরক্ত হয়ে যায়।

এদের ক্ষেত্রে প্রোডাক্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যা করা অনুচিত, কারণ তার সেটা শোনার আগ্রহ/ সময় কোনটিই নেই।

📌 Group Shopper Customer, এরা দলবল নিয়ে কেনাকাটা করতে যায়। এরা হতে পারে স্টুডেন্ট (ক্লাসমেট), ফ্রেন্ড কিংবা কলিগ। এদের বিশেষ বৈশিস্ট হল কিনলে সবাই কিনবে না হলে কেউ কিনবে না।

এদের ক্ষেত্রে এটিচিউডে বুঝে নিতে হবে দলনেতা কে। সব দলেই একজন থাকে, যে বিশেষ গুরুত্ব পেয়ে থাকে। সবার আগে তাকে এটেনশন দিতে হবে এবং কনভিন্স করতে হবে।

🕵‍♂ ক্লায়েন্টঃ কাস্টমার এবং কনজ্যুমার নিয়ে অনেকটা জানলাম। এবার জেনে নিই ক্লায়েন্ট কি?

অনেক বইপত্রেই কাস্টমার এর সমার্থক শব্দ হিসেবে ক্লায়েন্ট ব্যাবহার করা হয়ে থাকে এবং অনেকেই মনে করে কাস্টমার এবং ক্লায়েন্ট সেইম।

মুলত এদের মধ্যে সুক্ষ পার্থক্য রয়েছে। কাস্টমার হচ্ছে যে সরাসরি আপনার পন্য বা সেবাটি ক্রয় করে। আর ক্লায়েন্ট হচ্ছে যে পেশাগত সেবা ক্রয় করে। স্পেশালি পরামর্শ অথবা সমাধান। ডাক্তার, উকিল এদের কাস্টমার হয় না, ক্লায়েন্ট হয়।



‼ শেষ কথা এটাই বলবো, একজন ব্যাবসায়ী তখনি সফল যখন সে কাস্টমারকে ক্লায়েন্টে রুপান্তর করতে পারে। পন্য কিনতে এসে সে যেন আপনার প্রফেশনালিজমে মুগ্ধ হয়ে পরের বার আপনার থেকে সাজেশন নেয় যে, কোন পন্যটি তার জন্য ভালো….



🎲 আপনাকে বিনীত ভাবে অনুরোধ করছি যদি আমাদের এই ছোট্ট উদ্যোগ  আপনাদের যদি ভালো লেগে থাকে তবে সর্বদা আমাদের পাশে থেকে আমাদের সাহস বাড়াতে পোস্ট গুলোতে লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করে আমাদের কাজের স্পৃহা আরো বাড়িয়ে দিতে আপনারা বিশেষ ভূমিকা রাখবেন এবং সেই সাথে আপনার একটি শেয়ার হয়তো আপনার নিকটস্থ কারো জন্য একটি নতুন দরজা খুলে দিতে পারে ।

আপনারা সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন, ধন্যবাদ সবাইকে ।



Source: #Business#Ideas #Park 

Wednesday, January 2, 2019

৭০ বিজনেস আইডিয়া – দেখে নিন কোন ব্যবসা আপনার জন্য



ব্যবসা করতে চান? কী ব্যবসা করবেন খুজে পাওয়া যাচ্ছে না? তাহলে আপনি সঠিক জায়গায় এসেছেন। এই পোস্টটিতে ৭০ টি বিজনেস আইডিয়া নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। আশা করছি কোণ না কোন একটি বিজনেস আইডিয়া ভাল লাগবে। যেই ব্যবসটি আপনার ভাল লাগবে, সেই ব্যবসা টি নিয়ে আজকে থেকেই পরিকল্পনা শুরু করুন।

১। ডিম উৎপাদন করার জন্য মুরগীর খামার।
আমাদের দেশে ডিমের চাহিদা অনুযায়ী এখনও অনেক ঘাটতি আছে। শহর বা গ্রামে ছাদের উপর বা পতিত জমিতে শুরু করতে পারেন লেয়ার মুরগীর খামার। কিভাবে লেয়ার মুরগীর খামার শুরু করবেন তা জানতে এইখানে পড়ুন।

২। মাংস উৎপাদন করার জন্য মুরগীর খামার।
যেই মুরগী খামার করার মূল লক্ষ্য থাকে মাংস উৎপাদন করার তাকে বয়লার খামার বা বয়লায় মুরগীর ব্যবসা বলা যেতে পারে। শহর কিংবা গ্রামে সব জায়গায় এই মুরগীর চাহিদা আছে। তবে এই ব্যবসায় বেশী লাভ করা একটু কষ্টসাধ্য বিষয়। তবে সঠিক পরিকল্পনা এবং খাবার যদি নিজে বানিয়ে নিতে পারেন তাহলে ২৫% লাভ করা সম্ভব। কিভাবে বয়লার মুরগীর খামার শুরু করবেন তা জানতে এইখানে পড়ুন।

৩। দুধ উৎপাদন করার জন্য গরুর খামার।
বর্তমানে খাটি গরুর দুধের বরই অভাব। যখন কোন খামারের মূল উদেশ্য থাকে দুধ উৎপাদন করা তখন সেই খামার কে ডেইরী খামার বলা যেতে পারে। আমাদের দেশ প্রচুর দুধের চাহিদা থাকায় এই ব্যবসাটি আপনি শুরু করতে পারেন। কিভাবে গরুর খামার শুরু করবেন তা জানতে এইখানে পড়ুন।

৪। মাংস উৎপাদন করার জন্য গরুর খামার।
আমাদের দেশে বিশেষ করে কোরবানির সময় লক্ষ লক্ষ গরুর প্রয়োজন হয়। সেইদিক বিবেচনা করে অনেকে ইন্ডিয়ান গরু আমাদের দেশে ডুকিয়ে দেয় এবং যা আমাদের চাষীরা বিপদে পড়ে। তারপরও দেশের মানুষের ইন্ডিয়ান গরুর থেকে দেশী গরুর প্রতি চাহিদা বেশী লক্ষ্য করা যায়। এই ব্যবসাটি আপনি চাইলে শুধু ৩/৪ মাসের জন্য করতে পারেন। কিভাবে মাংস উৎপাদন করার জন্য গরুর খামার গড়ে তুলবেন না জানতে এইখানে পড়ুন।

৫। মাছ চাষ
মাছ চাষ একটি লাভজনক ব্যবসা। মাছ চাষে বহুমুখী সুবিধা আছে। মাছ চাষ করে একদিকে লাভবান হওয়া যায় তেমনি পরিবারের আমিষের চাহিদা মিটানো যায়। তাছাড়া কমাশিয়াল ভাবে মাছ চাষ করলে কিছু মানুষের কাজের সুযোগ মিলে। কিভাবে সফল ভাবে মাছ চাষ করতে হয় তা জানতে এইখানে পড়ুন।

৬। মাংস ও ডিম উৎপাদন করার জন্য হাঁসের খামার।
মুরগীর ডিম ও মাংসের থেকে হাঁসের ডিম ও মাংসের সরবরাহ বাজারে তুলনামূলক কম। মুরগীর ডিমের থেকে হাঁসের ডিমের প্রতি চাহিদা বেশী থাকায় এই ব্যবসা অনেক আগ থেকে চালু হয়েছে। কিভাবে মাংস ও ডিম উৎপাদন করার জন্য হাঁসের খামার গড়ে তুলবেন না জানতে এইখানে পড়ুন।

৭। একই স্থানে হাঁস ও মাছ চাষ
যদিও এটি একটি পুরাতন ব্যবসা তারপরও অনেক লাভজনক। সম্ভাব্য আমাদের এই ১০০ বিজনেস আইডিয়ার মধ্যে এই ব্যবসাটি অন্যতম। হাঁস ও মাছ চাষ একসাথে করলে যেমন করে হাঁস পানিতে সাঁতার করতে পারে তেমনি হাঁসের বিস্টা মাছের খাবার হিসাবে কাজে লাগে। কিভাবে একই স্থানে হাঁস ও মাছ চাষ গড়ে তুলবেন জানতে এইখানে পড়ুন।

৮। সবজি চাষ
আমাদের দেশে কম বেশী মোটামুটি সব ধরনের সবজি চাষ করা হয়। অসময়ের সবজি সময়ে ফলিয়ে অনেক লাভবান হওয়া যায়। কিভাবে সবজি চাষ করবেন তা জানতে এইখানে পড়ুন।

৯। বানিজ্যিক ভাবে ছাগল পালন
ছাগল পালন একটি লাভজনক ব্যবসা। অল্প জায়গায় অল্প শ্রমে বানিজ্যিক ভাবে ছাগল পালন করলে যেমন বেকারত্ব কমবে তেমনি একটি সমাজের আর্থসামাজিক অবস্থা পরিবর্তন হবে। কিভাবে বানিজ্যিক ভাবে ছাগল পালন করবেন তা জানতে এইখানে পড়ুন।

১০। মৌমাছি পালন
বর্তমানে প্রায় ১ কেজি খাটি মধুর দাম হাজার টাকার উপরে। মৌমাছি একটি অর্থকারী শিল্প। এই ব্যবসায় খরচ কম হওয়ায় অনেকে এই ব্যবসায় দিন দিন ঝুঁকছে। কিভাবে সফল ভাবে মৌমাছি পালন করবেন তা জানতে এইখানে পড়ুন।

১১। ছোট পরিসরে সুপার সপ বা চেইন সপ
বর্তমানে অনেক তরুন উদ্যোক্তা এই ব্যবসাটি অনেক ভেবে থাকেন। সুপার সপ এমন একটি বিজনেস বা দোকান যেখানে আপনাকে সব ধরনের পণ্য রাখতে হবে। জনবসটি পূর্ণ এলাকায় এই ব্যবসা বেশী জমজমাট। কিভাবে ছোট পরিসরে সুপার সপ বা চেইন সপ ব্যবসা শুরু করবেন তা জানতে এইখানে পড়ুন।

১২। ফ্যাশন হাউস
ছেলে মেয়েদের রকমারী কাপড় নিয়েই এই ব্যবসা। ভাল মার্কেট পেতে হলে অবশ্যই কোয়ালিটি ভাল রেখে ব্যবসা করতে হবে। কিভাবে ফ্যাশন হাউসের ব্যবসা করবেন তা জানতে এইখানে পড়ুন।

১৩। মোবাইল বিক্রির দোকান
এই ব্যবসায় সফলতা অনেকটা নির্ভর করে দোকান এর লোকেশন এর উপর। ভাল পজিশনে দোকান পেলে ভালই লাভ করা সম্ভব। কিভাবে মোবাইল বিক্রির ব্যবসা শুরু করবেন তা জানতে একখানে পড়ুন।

১৪। ইলেক্ট্রনিক পণ্য বিক্রি ব্যবসা
এটিও একটি দোকান ভিত্তিক ব্যবসা। নানা রকম ইলেক্ট্রনিক পণ্য দিয়ে দোকান সাজাতে হবে। আসে পাশে মার্কেট বুজে এই ব্যবসায় নামা উচতি। প্রথম দিকে অনেক টাকা ইনভেস্ট করলেও পরবর্তিতে এই টাকা চলে আসবে। কিভাবে ইলেক্ট্রনিক পণ্য বিক্রির ব্যবসা শুরু করবেন তা জানতে এইখানে পড়ুন।

১৫। বাচ্চাদের খেলনার দোকান
সঠিক ভাবে এই ব্যবসা করতে পারলে ৪০% পর্যন্ত লাভ করা যায়। নামি দামি মার্কেট এই ব্যবসা ভাল চলে। এই ব্যবসায় আপনার কাস্টমার তারাই হবে যারা তাদের সংসারের খরচ শেষ করে বাচ্চাদের খেলনা কিনে দিতে পারবে। তাই ভাল লোকশন এই ব্যবসার সফলতার মূলমন্ত্র। কিভাবে বাচ্চাদের খেলনার দোকান ব্যবসা শুরু করবেন তা জানতে এইখানে পড়ুন।

১৬। ছোট বাচ্চা ও মায়েদের প্রয়োজনীয় পন্যের দোকান
হাঁসপাতালের আসে পাশে, বা জনবহুল এলাকায় এই দোকান ভাল চলবে। ছোট বাচ্চাদের কাপড় থেকে শুরু করে গর্ববতী মায়েদের সকল পণ্য রাখতে হবে। কিভাবে ছোট বাচ্চা ও মায়েদের প্রয়োজনীয় পন্যের দোকান শুরু করবেন তা জানতে এইখানে পড়ুন।

১৭। ছাএ ছাএীদের জন্য স্টেশনারী ও লাইব্রেরি
স্কুল কলেজ বা ইউনিভার্সিটি এর সামনে এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন। বই, খাতা, পেন্সিল, কলম ইত্যাদি পন্য বিক্রি হবে আপনার ব্যবসার ধরন। ফটোকপি মেশিন ও দরকার হতে পারে। কিভাবে ছাএ ছাএীদের জন্য স্টেশনারীর ও লাইব্রেরি ব্যবসা শুরু করবেন তা জানতে এইখান পড়ুন।

১৮। ফিক্সড প্রাইস এ ছেলেদের সকল পণ্যর দোকান
আমাদের দেশে খুব কমই দোকান আছে যেখানে ফিক্সড প্রাইস এ ছেলেদের সকল পণ্য পাওয়া যায়। এই যেমন দাড়িকাটার ব্লেড থেকে শুরু করে সুট প্যান্ট পর্যন্ত। এই ব্যবসায় ইনভেস্ট অনেক কিন্তু ভাল লাভকরা যাবে। অনেকটা সুপার সপ এর আলোকে। কিভাবে ফিক্সড প্রাইস এ ছেলেদের সকল পণ্যর দোকান এর ব্যবসা শুরু করবেন তা জানতে এইখানে পড়ুন।

১৯। ফাস্ট ফুড শপ
তরুন ব্যবসায়ীদের অন্যতম পছন্দের ব্যবসার নাম ফাস্ট ফুড শপ। যে জায়গায় মানুষ এর বেশী আনাগোনা সেই জায়গায় ফাস্ট ফুড শপ বেশী জমবে। কিভাবে ফাস্ট ফুড শপ বিজনেস শুরু করবেন তা জানতে এই খানে পড়ুন।

২০। কফি শপ বিজনেস
কফি এমন একটি পানীয় যা মনকে দেয় এক অফুরন্ত প্রশান্তি। আমাদের দেশে খুব কমই কফি শপ আছে যারা শুধু কফি বিক্রি করে। এই ব্যবসায় ৫০% লোক প্রথম বছরই লসে পরে, তার কারন খুজলে দেখা যাই যে, কফি শপের লোকেশন ঠিক ছিল না। কিভাবে সফল ভাবে কফি শপ বিজনেস শুরু করবেন তা জানতে এই খানে পড়ুন।

২১। ছোট রেস্টুরেন্ট ব্যবসা।
কম দামে ভাল খাবার এই স্লোগানই আপনাকে এই ব্যবসায় সফল করতে পারে। কিভাবে ছোট রেস্টুরেন্ট ব্যবসা শুরু করবেন না জানতে এইখানে পড়ুন।

২২। সেলুন ব্যবসা
অনেক আগথেকে এই ব্যবসা চলছে এবং চলবে। নিত্য নতুন ব্যবস্থপনা এই ব্যবসাকে নতুন রুপ দিবে। বর্তমানে এই ব্যবসায় মার্কেট ধরতে হলে, এমন কিছু করতে হবে যা আগে আমাদের দেশে হয় নি। সেলুন ব্যবসার বিস্তারিত জানতে এইখানে পড়ুন।

২৩। একুরিয়াম শপ
সৌখিন মানুষ এই ব্যবসার কাস্টমার। একুরিয়াম ব্যবসা একটু ধীরগতির ব্যবসা হলেও লাভ করা যায় প্রচুর। কিভাবে একুরিয়াম ব্যবসা শুরু করবেন তা জানতে এইখানে পড়ুন।

২৪। পুরান জিনিস বেচা কেনা
পুরান মোবাইল থেকে শুরু করে পূরণ টিভি পর্যন্ত সব কিছু বেচা কিনা করা যায়। এই ব্যবসায় একটু প্রচার প্রচারনা করতে পারলে লাভবান হওয়া যায়। কিভাবে পুরান জিনিস বেচা কেনা ব্যবসা করবেন তা জানতে এইখানে পড়ুন।

২৫। লেদার বেল্ট বানানোর ব্যবসা
লেদার বেন্ট মোটামুটি সকল পুরুষই ব্যবহার করে থাকেন। বর্তমানে মেয়েরাও বেল্ট ব্যবহার করেন। প্রথম দিকে একটু বেশী ইনভেস্ট করলে পরবর্তিতে তেমন খরচ হয় না। সফলতা নির্ভর করে মার্কেটিং এর উপর। বাহিররের দেশ থেকে অডার পেলে ভাল কিছু করা সম্ভাব। কিভাবে সফলভাবে লেদার বেল্ট বানানোর ব্যবসা শুরু করবেন তা জানতে এইখানে পড়ুন।

২৬। কাঠের ফার্নিচার ব্যবসা
নিজের শোরুম থাকলে বেশী লাভ করা যায়। শোরুমের জামেলা করতে চাইলে পাইকারি দরে বিভিন্ন দকানে বিক্রি করতে পারবেন। কিভাবে কাঠের ফার্নিচার ব্যবসা শুরু করবেন তা জানতে এইখানে পড়ুন।

২৭। নরম প্লাস্টিকের কাপ, প্লেট, বস্ক বানানোর ব্যবসা
ভাল মার্কেটিং করতে হবে কাস্টমার পেতে। বিভিন্ন করপোরেট প্রতিষ্ঠানই আপনার কাস্টমার হবেন। ভাল ব্যবহার এবং সুসম্পর্ক এই ব্যবসাকে বহুদূর নিয়ে যাবে। কিভাবে নরম প্লাস্টিকের কাপ, প্লেট, বস্ক বানানোর ব্যবসা শুরু করবেন তা জানতে এইখানে পড়ুন

২৮। চটের ব্যাগ বানানোর কারখানা
অল্প পুঁজিতে ২/৩ লোক দিয়ে শুরু করতে পারেন এই ব্যবসা। নিজ বসত বাড়ীর উঠানে না অতিরিক্ত রুমে শুরু করতে পারেন। মার্কেটিং করার জন্য নিজে বা একজন লোক নিয়োগ দিতে হবে। কিভাবে চটের ব্যাগ বানানোর কারখানা শুরু করবেন তা জানতে এই খানে পড়ুন।

২৯। খাতা বানানোর ছোট কারখানা
স্কুল কলেজ, ইউনিভার্সিটি সব ধরনের ছাএ ছাএীরা এই ব্যবসার গ্রাহক। পাইকারী দামে কাগজ কিনে, খাতার উপরের কভার বানিয়ে, সুন্দর ভাবে সেলাই করে বাজারজাত করতে হবে। কিভাবে খাতা বানানোর ব্যবসা শুরু করবেন তা জানতে এইখানে পড়ুন।

৩০। মানিব্যাগ বানানোর ছোট কারখানা
আগে এই ব্যবসা করেছে এমন কেউর সাথে কথা বলে বা কাজ শিখে শুরু করতে হবে। বাজারে অনেক রকম মানি ব্যাগ পাওয়া যায়, তার মাধ্যে আপনার বানানো ব্যাগ কেন মানুষ পছন্দ করবে তা খুজে বের করতে হবে। অন্য অন্য ব্যবসার মত মার্কেটিং একটু কঠিন। তবে মফস্বল শহরে মার্কেটিং করলে ভাল কিছু হবে আশা করা।

৩১। ই- কমার্স বিজনেস বা অনলাইন দোকান
যদিও বর্তমানে বিশ্বে আমরা ই- কমার্স এ পড়ে ডুকতে পেরেছি, সেই তুলনায় আমাদের দেশে এখন প্রায় ৮০০০+ ই- কমার্স বিজনেসম্যান রয়েছে। ইন্টারনেট বাড়ার সাথে সাথে এই জগত আরো বাড়বে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। যদি আপনি এখনও এই ব্যবসার সাথে জড়িত না হয়ে থাকেন তাহলে শুরু করতে পারেন আজ থেকে। ই- কমার্স বিজনেস বা অনলাইন দোকান ব্যবসা নিয়ে বিস্তারিত জানতে এখানে পড়ুন।

৩২। টি শার্ট
টি শার্ট সব বয়সের মানুষের একটি আরামদায়ক কাপড়ের দাম। সম সাময়িক থিম নিয়ে কাজ করলে ভাল কিছু করা সম্ভব। কিভাবে টি শার্ট বিজনেস শুরু করবেন তা পড়ুন এখানে।

৩৩। চাপাতা প্যাকেটজাত করন
বাংলাদেশে খুব কম মানুষই আছে যারা চা পছন্দ করে না। সেই ব্রিটিশ আমল থেকে আমাদের দেশে চা এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। মার্কেট বুজতে পারলে ভাল লাভবান হওয়া যায়।

৩৪। কসমেটিক ব্যবসা
মেয়েদের অন্যতম পছন্দের লিস্ট রয়েছে দেশী বিদেশী কসমেটিক। কিভাবে কসমেটিক ব্যবসা শুরু করবেন তা জানতে এখানে পড়ুন।

৩৫। আইপিও তে ইনভেস্ট করুন
আইপিও আমাদের দেশে অন্যতম লাভজনক ইনভেস্ট মাধ্যম। শেয়ার বাজারে এই একটি সেক্টর রয়েছে যেখানে ৯৯% রিস্ক ফ্রী। কিভাবে আইপিও তে আবেদন করতে হয় তা জানতে এইখানে পড়ুন।

৩৬। সেকেন্ডারী মার্কেট এ ইনভেস্ট করুন
সেকেন্ডারী মার্কেট একটি টাকা বানানোর মেশিন বলে মনে করেন অনেকে। তবে না দেখে শুনে ইনভেস্ট করলে পুঁজিও হারিয়ে ফেলতে পারেন। কিভাবে সেকেন্ডারী মার্কেট এ ইনভেস্ট করতে হত তা জানতে এইখানে পড়ুন।

৩৭। বিদেশী ফলের ব্যবসা
আমাদের দেশে যেসব ফল রয়েছে তার সাথে সাথে বিদেশ থেকে ফল ইমপোট করে অনেকে লাভবান হয়েছে।

৩৮। ইন্সুরেন্সে কাজ করুন
আমাদের এই ৭০ টি বিজনেস আইডিয়ার মধ্যে সব থেকে আমার পছন্দ এই ব্যবসাটি। ইন্সুরেন্স এ কাজ করলে সারা জীবন ইনকাম আছে। কেন, কিভাবে, কোথায় ইন্সুরেন্স এ কাজ করবেন তা জানতে আমাদের ইন্সুরেন্স ক্যাটাগরিটি পরুন এখানে।

৩৯। গাড়ী ঠিক করার গ্যারেজ
দক্ষ লোক নিয়োগ দিয়ে এই ব্যবসা খুব সহজেই শুরু করা যায়। দক্ষতা, সততা এই ব্যবাসার মূল ইনভেস্টমেন্ট।

৪০। পুরাতন গাড়ী ক্রয় বিক্রয়
বিদেশে বিশেষ করে আমারেকায় এই ব্যবসাটি জমজমাট। পুরাতন গাড়ী কম দামে কিনে সঠিক ভাবে রিপেয়ার করে বহু টাকা লাভ করা যায়। কিভাবে এই আমাদের দেশে এই ব্যবসা শুরু করবেন তা জানতে এখানে পড়ুন।

৪১। ফটোগ্রাফি
এটি একটি আর্ট। যারা ভাল ক্যামেরা ব্যবহার করতে পারেন তারা আজথেকে একটি ফেসবুক পেইজ বানান এবং আপনার তোলা ছবি আপলোড করুন। সময়ের জন্য অপেক্ষা করুন। হাল ছেড়ে দিবেন না। কিভাবে ফটোগ্রাফি বিজনেস শুরু করবেন তা জানতে এইখানে পড়ুন।

৪২। এনিমেশন ভিডিও
এনিমেশন এ কাজ জানলে আপনি বিভিন্ন কোম্পানির জন্য ভিডিও বানিয়ে প্রচুর আয় করতে পারেন। তাছাড়া নিজের বানানো ভিডিও ইউটিউব এ আপলোড করে লাইফটাইম ইনকাম করতে পারেন।

৪৩। ইউটিউব এ আয় করুন
নিজের বানানো ভিডিও দিয়ে ইউটিউব এ ইনকাম করুন লাইফটাইম।

৪৪। গুগল অ্যাডসেন্স থেকে ইনকাম করুন।
নিজের নিজের ওয়েবসাইটে গুগল এ্যাড প্রদর্শিত করে ইনকাম করুন। কিভাবে গুগল অ্যাডসেন্স থেকে টাকা ইনকাম করবেন তা জানতে এখানে পড়ুন।

৪৫। বিশেষ কোন স্কিল কাজে লাগিয়ে ইনকাম করুন।
ধরুন আপনি কার্টুন আঁকতে ভালবাসেন। এটি একটি আপনার সখ। তাই এই কার্টুন গুলো কিনার মত অনেক কোম্পানি আছে। আজকেই অনলাইন সার্চ সেন। পেয়ে যাবেন অনেক কোম্পানি যারা কার্টুন এর ক্যারেক্টার কিনতে আগ্রহী।

৪৬। ফুড ডেলিভারি সার্ভিস
অনলাইন আমাদের দেশে অন্যতম আধুনিকতার ছোয়া দিয়েছে। তার প্রমান হিসাবে ফুড ডেলিভারি সার্ভিস বিজনেস। সঠিক প্লান এবং পরিকল্পনা থাকলে খুব সহজেই লাভবান হতে পারেন এই ব্যবসায়।

৪৭। অনলাইন অ্যাড সার্ভিস
এটি একটি সার্ভিস মূলক ব্যবসা। ছোট ছোট অনেক কোম্পানি বা ব্যাক্তি পর্যায়ে অনেক উদ্যোক্তা আছেন যারা তাদের ব্যবসা প্রসার করারা জন্য হুমড়ি খেয়ে অনলাইন অ্যাড সার্ভিস খুজে।

৪৮। ডে-কেয়ার সার্ভিস
বর্তমানে আমাদের সমাজে বাবা ও মা উভয়ই কাজ করেন এমনদের তালিকা কম না। একটি ডে-কেয়ার সার্ভিস বিজনেস এমণ বিজনেস যেখানে আপনাকে ছোট বাচ্চাদের জন্য খাবার, শিক্ষা, বিনেদন সবকিছুর-ই ব্যবস্থা রাখতে হবে।

৪৯। গ্রাফিক্স ডিজাইন
একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার প্রতি বছরে গড়ে ৪১,০০০ মার্কিন ডলার ইনকাম করেন। আমাদের দেশে এমন এমন গ্রাফিক্স ডিজাইনার আছেন যাদের গড় মাসিক আয়- ৫ লক্ষ টাকা।

৫০। বাড়ী ঘর রঙ করা।
ছোট একটি অফিস ও কয়েকজন দক্ষ শ্রমিক নিয়োগ দিয়ে শুরু করতে পারেন এই ব্যবসা। অনলাইন ও অফলাইনে নানারকম প্রচার চালাতে হবে প্রথম দিকে। একজন কাস্টমারকে খুশী রাখতে পারলে সে নিজেই আপনার জন্য বিজ্ঞাপন প্রচার শুরু করবেন, যা সব থেকে কার্যকারী।

৫১। ট্র্যাভেল এজেঞ্চী
মোটা যারা বহুবার বিদেশ ভ্রমণ করেছেন বা এই বিষয় এ অভিজ্ঞতা আছে তারা এই ব্যবসাটি করতে পারেন। এই ব্যবসার সব থেকে বর চ্যালেঞ্জ হল কথা দিয়ে কথা রাখা। একজন সেটইসফাই কাস্টমার আপনার জন্য সারা জীবন বিজ্ঞাপন হিসাবে কাজে লাগবে।

৫২। আর্টিকেল লেখা
দেশ বিদেশ বিভিন্ন সাইটে আর্টিকেল লিখে আয় করার সুযোগ আছে। Fiver.com এ প্রতিটি আর্টিকেল ৫ ডলার করে বিক্রি করতে পারবেন।

৫৩। এসইও সার্ভিস
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও অন্যতম সেরা একটি অনলাইন ইনকাম মাধ্যম। আপনার কাজের অভিজ্ঞতা বাড়ার সাথে সাথে ইনকামও বাড়বে বহুগুন।

৫৪। ঘরে বানানো খাবার
বিশেষ করে আচার, মুড়ি, চানাচুর ইত্যাদি খাবার এর ব্যবসা কম পুঁজিতে শুরু করতে পারেন। সরকারী অনুমোদন নিয়ে শুরু করলে কোন চিন্তা থাকে না। .

৫৫। পুরাতন ল্যাপটপ কেনা চেনা।
প্রায় প্রতিদিন ফেসবুক এ শতশত পোস্ট আসে ল্যাপটপ কেনা বেচা নিয়ে। সঠিক দামে কিনে, মোটামুটি একটু কাজ করে প্রতি ল্যাপটপ এ যদি ২/৩ হাজার লাভ করা যায় তাহলে তো জমজমাট।

৫৬। ক্রিকেট একাডেমী
ভালমানের কোচ নিয়োগ গিয়ে ক্রিকেট একাডেমী করতে পারলে দুইটা লাভ আছে। এক দেশের জন্য আপনি ভালমানের ক্রিকেটার বানাতে চাচ্ছেন। দুই, এটি একটি লাভজনক ব্যবসা যা অনেক দিন ধরে করতে পারবেন।

৫৭। ঘর বা রুম ভাড়া
ঘর বা রুম ভাড়া একটি পাসিভ ইনকাম। ধরুন একটি ঘর আজকে বানালেন এবং সারাজীবন এর থেকে ইনকাম পারেন। অনেকে সাবলেট রুম ভাড়া দিয়েও বাড়তি ইনকাম করছেন।

৫৮। ঘর সাজানোর জন্য আর্টিফিশিয়াল ফুল ও গাছ
প্রথমদিকে মেশীনারি কিনতে অনেক ইনভেস্ট করলে পরবর্তীতে শুধু কাচামাল কিনতে হয়। সঠিক পরিকল্পনা ও মার্কেটিং করলে অনেক লাভকরা সম্ভব।

৫৯। নিজ এলাকায় ছোট পরিসরে গড়ে তুলুন ব্যায়ামাগার বা জিম সেন্টার।

৬০। বিক্রি করুন শুধু ফলের জুস।

৬১। আগুন নিবারক পণ্য বিক্রি বা সার্ভিস।

৬২। ডিজে সার্ভিস।

৬৩। সাইবার সিকিউরিটি সার্ভিস।

৬৪। বাগানের বিভিন্ন সামগ্রী বিক্রি।

৬৫। পুরাতন গাড়ী রিপেয়ার ও বিক্রি।

৬৬। সোসাল মিডিয়া সার্ভিস।

৬৭। ইভেন্ট বা পার্টি প্লানিং।

৬৮। রেস্টটুরেন্ট ডেকারশন।

৬৯। ইমপোট এক্সপোট নিজনেস।

৭০। সিজেনাল বিজনেস।

 বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ মনে রাখবেন কোনো কাজ ছোট নয় । আমরা বিদেশে গিয়ে অনেক নিচু মানের কাজ করে থাকি কিন্তু দেশে ছোট কিছু দিয়ে শুরু করতে লজ্জা পাই। জেনে রাখুন ছোট ছোট উদ্যোগ থেকেই বড় বড় সেক্টর সৃষ্টি হয়, আপনারা অনেকেই আকিজ গ্রুপ এর মালিক কে চেনেন, তিনি কোথা থেকে শুরু করেছিলেন আর এখন তার সৃষ্টি আকিজ গ্রুপ কোথায় আছে ।

🎲 আপনাকে বিনীত ভাবে অনুরোধ করছি যদি আমাদের এই ছোট্ট উদ্যোগ আপনাদের যদি ভালো লেগে থাকে তবে সর্বদা আমাদের পাশে থেকে আমাদের সাহস বাড়াতে পোস্ট গুলোতে লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করে আমাদের কাজের স্পৃহা আরো বাড়িয়ে দিতে আপনারা বিশেষ ভূমিকা রাখবেন এবং সেই সাথে আপনার একটি শেয়ার হয়তো আপনার নিকটস্থ কারো জন্য একটি নতুন দরজা খুলে দিতে পারে ।

আপনারা সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন, ধন্যবাদ সবাইকে

Source: Business Idea Park 

Sunday, November 4, 2018

নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য নূন্যতম বাজেটের কিছু মার্কেটিং টিপস ।


এখনকার সময়ে কৌশলী না হলে আর গতানুগতি মডেল থেকে বাইরে আসতে না পারলে আপনার বিজনেস এর সফলতার গতি ধীর হয়ে আসবে এটাই স্বাভাবিক। প্রতিযোগিতার এই বাজারে আপনাকে অবশ্যই ইউনিক হতে হবে এবং সেই সাথে হতে হবে কৌশলী । আজকে আপনাদের জন্য রইলো নূন্যতম বাজেটের কিছু মার্কেটিং টিপস ।

০১) ব্যবসার শুরুতেই একটা লঞ্চিং প্রোগ্রাম করেন। এটা হতে পারে আপনার অফিসে বা কোন রোস্তোরায়। এই প্রোগ্রামে এমন লোকজনকে দাওয়াত করুন যারা আপনার ব্যবসায় পরবর্তীতে কাজে লাগবে। অবশ্যই রাখবেন ২/৩ জন সাংবাদিক বন্ধু বান্ধব। বুফে আইটেমের ব্যবস্থা করুন। অথবা সন্ধ্যায় চা নাস্তা। ২০ জন নিয়ে যদি প্রোগ্রাম হয় তাহলে আপনি মোটামুটি ১০ হাজার টাকায় সেরে ফেলতে পারবেন।

০২) প্রোগ্রামে অবশ্যই একটা বিজসেন প্রেজেন্টেশন রাখবেন। খাওয়া দাওয়ার শুরুতেই প্রেজেন্টেশনটা দিয়ে দেয়া জরুরী।

০৩) প্রোগ্রামে আসা অতীথিদের ছোটখাট কিছু উপহার দিতে পারেন। তা হতে পারে, কার্ড হোল্ডার, চাবির রিং অথবা টি-শার্ট। এগুলো গতানুগতিক উপহার সামগ্রী। চেষ্টা করুন আউট অব দ্যা বক্স কিছু দিতে এতে করে সে আপনাকে মনে রাখবে দীর্ঘদিন। সাথে অবশ্যই আপনার কোম্পানির ভিজিটিং কার্ড, ব্রশিউর ইত্যাদি দিতে ভুলবেন না।

০৪) প্রোগ্রাম শেষে একটা প্রেস রিলিজ তৈরী করুন। টার্গেট করুন অনলাইন মিডিয়াগুলোকে। এগুলোতে প্রেস রিলিজ পাবলিশ করানো সহজ।

০৫) আপনার প্রোগ্রামে আসা সাংবাদিকদের সাথে পরবর্তী দিনে একটু হাই হ্যালো করুন যেন আপনার নিউজটি পত্রিকায় আসে। পত্রিকায় এলে তাদের ধন্যবাদ জানাতে ভুলবেন না।

০৬) আপনার ব্যবসা শুরুর গল্প থেকে ধরে নিয়মিত সকল বিষয়েই ব্লগিং করুন। প্রোগ্রামের খবর, প্রেস রিলিজ ছাপা হলে তার লিংক, নতুন প্রোডাক্ট ও সার্ভিসের খবর সব কিছুই নিয়মিত ব্লগে পাবলিশ করুন।

০৭) আপনার ফেসবুক প্রোফাইলেও অনুরূপ একটি ভিটিস চালু রাখুন।

০৮) ব্যবসার শুরুতে একটি ফেসবুক পেইজতো খুলবেনই। সেখানেও অনুরূপ একটি ভিটিস চালু রাখুন। ফেসবুক পেইজটি সদা পরিচ্ছন্ন, তথ্য নির্ভর এবং আপডেট রাখুন।

০৯) প্রতিদিন ফেসবুক পেইজে এবং ই-মেইলে আসা কুয়েরিগুলোকে সিরিয়াসলি নিয়ে রিপ্লাই দিতে চেষ্টা করুন। প্রতিটা রিপ্লাইয়ের সাথে আপনার লগো, আইডেন্টেটি ইত্যাদি সংযুক্ত করে দিতে ভুলবেন না।

১০) বিক্রয়.কম, সেলবাজার.কম এ বিজ্ঞাপন দিন। নিয়মিত বিভিন্ন ক্যাটাগরীতে বিজ্ঞাপন পাবলিশ করুন। নিয়োগ সংক্রান্ত বিজ্ঞাপনও এই সাইটগুলোতে দিতে পারেন। বিজ্ঞাপন দিতে পারেন বিডিজবস.কম বা প্রথম আলো.কমেও।

১১) ই-কমার্স সাইটগুলোর মাধ্যমে আপনার পণ্য ও সেবা বিক্রির চেষ্টা করুন। বিজ্ঞাপন দিতে পারেন তাদের সাইটেও। সাইটগুলোর সাথে জয়েন্ট প্রমোশনার একটি ভিটিসও চালু করতে পারেন। সুযোগ নিন ডিল সাইটের মাধ্যমেও।

১২) আপনার বন্ধু বান্ধবদের মধ্যে যাদের ফেসবুক ফ্যানপেইজ আছে তাদের সবার সাথে যোগাযোগ বাড়িয়ে তাদের ফ্যানপেইজের মাধ্যমে প্রমোশন চালান। যাদের ওয়েব সাইট আছে এবং সাইটে মোটামুটি ট্রাফিক আছে তাদের সাইটে বিজ্ঞাপন দিতে চেষ্টা করুন। বিনিময়ে টাকা নয় অন্য কোন সেবার বিনিময়ে একটা উইন-উইন সিচুয়েশন ক্রিয়েট করুন।

১৩) কিছু বাল্ক এসএমএস কিনে নিন। আপনার ২০ জন বন্ধুর সবার মোবাইল থেকে সব নাম্বার সংগ্রহ করুন। সেই নাম্বারগুলোতে এসএমএস পাঠান। টার্গেট ক্লায়েন্টের ডেটাবেস থাকলে তাদেরও নিয়মিত এসএমএস পাঠান।

১৪) এসএমএসের মত করে ই-মেইল আইডি সংগ্রহ করে ই-মেইল করুন। নিয়মিত আপনার সেবা সর্ম্পকে সবাইকে আপডেট জানান।

১৫) স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশীপ বাড়ান। বিভিন্ন সংগঠনের সাথে যুক্ত হয়ে তাদের বিভিন্ন কর্মসূচীকে আপনার প্রমোশনের জন্যে ব্যবহার করুন। বিভিন্ন মেলায় নিজেদের শোকেসিং করুন।

১৬) বিভিন্ন দিবস উপলক্ষ্যে মূল্যছাড়, প্রতিযোগিতা ইত্যাদির আয়োজন করুন। বিভিন্ন বড় কোম্পানির সাথে জয়েন্ট প্রমোশনের চেষ্টা করুন।

১৭) কমিউনিকেশন, নেটওয়ার্ক আর কানেকটিভিটি বাড়ান। যেখানেই যাননা কেন আপনার ব্যবসায়িক পরিচয় দিতে দ্বিধা বোধ করবেন না। সব যায়গায় একটা উইন-উইন মডেল ডেভলপ করতে চেষ্টা করুন।

১৮) কোন ক্লায়েন্টের কাছে নিজেকে উপস্থাপন করার নামে ভিক্ষাবৃত্তিতে জড়াবেন না। স্মার্টলি ক্লায়েন্টের রিকোয়ারমেন্ট শুনুন। তাকে একটা ভাল সাজেশন দিন। তাকে ভাবতে দিন। এবার নিজেকে প্রেজেন্ট করুন যে, আপনি চাইলে এই কাজগুলো আমি করে দিতে পারব। আপনার অফার আপনি তাকে দিয়ে দিন। এবং সিদ্ধান্ত নিতে সময় দিন।

১৯) ক্লায়েন্টের সাথে ব্যবসার বাইরেও কিছু রিলেশন তৈরী করুন। এক্সটা মাইল হাঁটার অভ্যাস করুন। সব সময় কিছু এক্সট্রা দিতে চেষ্টা করুন। মানুষ প্রত্যাশার চেয়ে বেশি পেলে নির্ভরশীল হয়ে পরে। আর তার নির্ভরশীলতাই আপনার ব্যবসার সুযোগ সৃষ্টি করবে।

২০) কোয়ালিটি, প্রাইস, সার্ভিস, কমিটমেন্ট আর রিলেশনশীপ এই পাঁচটি বিষয়ে কোন কম্প্রোমাইজ করবেন না। ক্লায়েন্টের ডিমান্ড অনুযায়ী উপরিউক্ত বিষয়গুলোর উপর সদা নজর দিতে চেষ্টা করুন।

🎲 আপনাকে বিনীত ভাবে অনুরোধ করছি যদি আমাদের এই ছোট্ট উদ্যোগ আপনাদের যদি ভালো লেগে থাকে তবে সর্বদা আমাদের পাশে থেকে আমাদের সাহস বাড়াতে পোস্ট গুলোতে লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করে আমাদের কাজের স্পৃহা আরো বাড়িয়ে দিতে আপনারা বিশেষ ভূমিকা রাখবেন এবং সেই সাথে আপনার একটি শেয়ার হয়তো আপনার নিকটস্থ কারো জন্য একটি নতুন দরজা খুলে দিতে পারে ।

আপনারা সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন, ধন্যবাদ সবাইকে ।

Source: Business Idea-Park 

Saturday, November 3, 2018

২য় আলোচনা সভা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহন

২ নভেম্বর ২০১৮ ইং রোজ শুক্রবার বেলা ৩ঃ৩০ মিনিটে ঢাকার মগবাজারে ইয়ামি ইয়ামি রেস্টুরেন্টে Dream of 30  কমিউনিটির ২য় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন কমিউনিটির ৯ জন রেজিট্রার মেম্বার। 
উক্ত আলোচনা সভায় কমিউনিটির মেম্বার রেজিট্রেশন, পরিচালনা কমিটি গঠন, ট্রেড লাইসেন্স, ব্যাংক একাউন্ট, পরিচালনা কমিটির কার্যাবলি এবং কি কি ক্রাইটেরিয়া মেনে কমিটিতে থাকা লাগবে সহ সকল মেম্বারদের কমিউনিটিতে থাকার নিয়মাবলী বিষয়ক খসরা তৈরির ব্যপারে আলোকপাত করা হয়। পরবর্তিতে কিছু সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যাহা বাকি মেম্বারদের জ্ঞানার্থে নিচে তোলে ধরা হল।

১। রেজিট্রেশনের বিষয়ে সিদ্ধান্তঃ
অনেক আগ্রহী মেম্বার যেকোন কারনে এখনো রেজিট্রেশন করতে পারেনি এবং আরো অনেকেই আগ্রহ প্রকাশ করেছেন রেজিট্রেশনের সময়টি আরেকটু শিথিল করার বিষয়ে তাই উপস্থিত মেম্বাররা এই সিদ্ধানে উপনীত হয় যে রেজিট্রেশনের সময়সীমা প্রথম এবং শেষবারের মত বর্ধিত করা হবে আগামী ৭ নভেম্বর রোজ বুধবার পর্যন্ত। এর মধ্যে যতজন মেম্বার রেজিট্রেশন করবেন তাদের নিয়েই ড্রীম অফ থার্টির কার্যক্রম শুরু হবে ইনশাআল্লাহ। এর পরে আর কোন রেজিট্রেশন গ্রহনযোগ্য হবেনা। 

২। কিন্তু রেজিট্রেশনের জন্য বাকি কার্যক্রম থেমে থাকবেনা। সেক্ষেত্রে আমরা রেজিট্রেশন চলাকালীন সময়ের মধ্যে মেম্বারশীপ এগ্রিমেন্টে কি কি খসরা থাকতে পারে এবং কি কি নিয়মকানুন থাকা জরুরী সেসকল নিয়মনীতি লিপিবদ্ধ করা হবে। এ ব্যপারে সাহায্য করা দায়িত্ব নিয়েছেন কামরুজ্জামান মিঠুন ভাই এবং রায়হানুল ভাই। তাদের বাইরেও যদি কারো মাথায় কোন আইডিয়া আসে যে কোন নিয়ম টি এগ্রিমেন্টে থাকা জরুরী তারা গ্রুপে প্রস্তাব করতে পারবে। পরবর্তিতে সেসকল খসরা লিপিবদ্ধ আকারে উকিলের সাহায্যে কোন এডিট লাগলে করা হবে এবং আর কিছু লাগলে এড করা হবে। 
সেই সাথে পরিচালনা কমিটিতে যারা থাকবে তাদের কি ধরনের নিয়মের মধ্যে থেকে পরিচালনা করা লাগবে এবং তাদের কি ধরনের সুযোগসুবিধা প্রদান করা হবে সে বিষয়ক খসরা তৈরি করা হবে এবং সেটা এই সপ্তাহের মধ্যেই। 

৩। কোম্পানীর ধরন বিষয়ে সিদ্ধান্তঃ
যেহেতু আমরা কয়েকটি সার্ভিস এবং প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করতে চাচ্ছি তাই সুনির্দিষ্ট কোন ট্রেড লাইসেন্স এর ধরন ঠিক করা কঠিন। তবে মোটামোটি ভাবে বলা যায় প্রথম অবস্থায় আমদানি, রপ্তানী এবং সরবরাহকারী টাইপ দিয়ে ট্রেড লাইসেন্স করে কার্যক্রম শুরু করা যায়। পরে প্রজেক্ট ভিত্তিক আলাদা আলাদা ট্রেড লাইসেন্স করা যাবে। 

ট্রেড লাইসেন্স করার আগে যা যা করনীর ঃ
ট্রেড লাইসেন্স করার আগে অবশ্যই কমিটি গঠন করা লাগবে কারন ট্রেড লাইসেন্স সবার নামে করা সম্ভব না তাই প্রথমে ব্যক্তি নির্ধারন করতে হবে পরিচালনা কমিটি ব্যাংক এবং ট্রেড লাইসেন্স পরিচালনার জন্য। আর পরিচালনা কমিটি গঠনের আগে এই সপ্তাহের মধ্যে আমরা কমিটি এবং সকল মেম্বারদের খসরা যাহা এগ্রিমেন্টে লিপিবদ্ধ থাকবা তা রেডী করে ফেলব। তার জন্য ২ জনকে প্রাথমিকভাবে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। 
আপাদত আমরা লিমিটেড কোম্পানী গঠন করতে আগ্রহী না কারন প্রথমেই এই খরচ করার ব্যপারে সবাই অনাগ্রহ প্রকাশ করেছে। প্রথমে সিটি কর্পোরেশনের লাইসেন্স দিয়ে বিজনেস পরিচালনা করে সেটাকে যেকোন সময় চাইলে লিমিটেড কোম্পানীতে রুপান্তর করা যাবে নিজেদের আগ্রগতি দেখার পর।

কোম্পানীর ব্যাংক একাউন্ট করতে হলে ট্রেড লাইসেন্স লাগবে, ট্রেড লাইসেন্স করতে হলে কমিটি লাগবে, কমিটি করার আগে ইন্টারনাল এগ্রিমেন্ট লাগবে। ধাপে ধাপে এসকল কাজ খুব দ্রুত করে ফেলা হবে তাই এগ্রিমেন্ট এ যে সকল নিয়ম কানুন লিপিবদ্ধ থাকবে এসকল নিয়ম লিপিবদ্ধ করার জন্য মিঠু ভাই, রাইহানুল ভাই এবং আমি কাজ করব। যদি কার মাথায় কোন কথা আসে যে এই কথা টা এগ্রিমেন্টএ থাকা উচিত তাহলে জানাবেন।

এবার সবার প্রশ্ন থাকে বিজনেস আইডিয়া কি হবেঃ
প্রথমেই বলে রাখি যে বিজনেসই আমরা মেইন হিসেবে নেই না কেন ইভেন্ট মেনেজমেন্ট আমাদের একটা প্রজেক্ট হিসেবে সাথে থাকবে।কারন ইভেন্ট মেনেজমেন্টে তথা সার্ভিস টাইপ বিজনেসে ইনভেস্টমেন্ট কম থাকে তাই রিক্স ফেক্টর কম এবং প্রফিট মার্জিন ভাল থাকে।
এই প্রজেক্টে যা যা থাকতে পারেঃ
- আইটি সেক্টর
- টুরিজ্যম
- ইন্টেরিয়র
- বিভিন্ন ধরনের কর্পোরেট ইভেন্ট অরগানাইজ করা যেমনঃ  মেলা, লঞ্চিং ইভেন্ট, বিয়ে/হলুদ
- বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস (সি সি ক্যামেরা সাপ্লাই এন্ড সেলস, প্রোডাক্ট প্রমোশন্নকরে দেয়া।
২। ডিস্পলে সেন্টার করা যেখানে যে কোন ব্যান্ড তার প্রোডাক্ট ডিস্পলে করতে পারবে আমাদের ফ্লোরে।
৭। রেস্টুরেন্ট / হোটেল
৮। কনজিউমার প্রোডাক্ট উৎপাদন এন্ড সেলস
৯। গার্মেন্ট প্রিন্টিং ফ্যাক্টরি এবং এব্যপারে ইমরান আবির ভাই আমাদের সর্বাত্তক সহযোগিতা করতে পারবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন। যাহা সকলেই ভাল লেগেছে এবং পরবর্তী মিটিং এ আমরা অবশ্যই বিজনেস আইডিয়া ফাইনাল করে ফান্ড কালেকশন শুরু করে দিব বলে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।





Thursday, November 1, 2018

ব্রাশ পুরনো হলেই ফেলে দেন? এসব জানলে আর ফেলবেন না !


জানা-অজানা ডেস্ক- জিনিসপত্রের ব্যবহার শেষ হলেই তা ফেলে দেওয়া বা বাতিলের স্তূপে জড়ো করা আমাদের বরাবরের স্বভাব। তবে এমন কিছু জিনিস রয়েছে, যা এক বার কোনও কাজে ব্যবহারের পরও আমরা অন্য কাজে সহজেই ব্যবহার করতে পারি। কেবল, প্রয়োজন সেই পদ্ধতির প্রয়োগটুকু জানা।

নিত্য ব্যবহার্য জিনিসের মধ্যে অন্যতম টুথ ব্রাশ। চিকিৎসকদের মতে, একটি ব্রাশ এক থেকে দেড় মাসের বেশি ব্যবহার করা একেবারেই উচিত নয়। তা হলে কি এই এক-দেড় মাসের পরই ফেলে দিতে হবে টুথ ব্রাশ?

তা কেন? ঘরোয়া কিছু কাজে ব্যবহার করুন টুথ ব্রাশ— যা আপনার রোজের পরিশ্রমও কমাবে, সঙ্গে প্রয়োজনীয় কাজটুকুও সেরে ফেলা যাবে সহজেই। এমনিতেই অন্যান্য ব্রাশের তুলনায় টুথব্রাশের দাঁড়া নরম হয়। তাতে খরখরে ভাবও অনেক কম থাকে। তাই ঘরোয়া কাজে এমন ব্রাশ কাজে আসে বেশি। দেখুন তো, এই সব কাজেও যে টুথব্রাশ ব্যবহার করা যায়, তা কখনও ভেবেছেন কি না!

বাড়ির কম্পিউটারে কি বোর্ডে মাঝে মাঝেই জমে যায় ধুলো। কখনও বা আটকে থাকে কিছু কণা। সে সব পরিষ্কার করার ক্ষমতা কোনও নরম কাপড়ের নেই। বরং বাতিল টুথব্রাশের দাঁড়া দিয়ে সহজেই পরিষ্কার করুন কি বোর্ড।

জুতো নোংরা হয়েছে? তার গায়ে লেগে থাকা ধুলোকে আগে ব্রিসলস দিয়ে পরিষ্কার করে নিন। জুতোয় নানা খাঁজে জমে থাকা ধুলো সহজেই ব্রাশ দিয়ে পরিষ্কার সম্ভব। এর পর সে জুতো কাচা গেলে কেচে ফেলুন। তা হলেই পুরনো জুতোর রূপ ফিরতে আর সময় লাগবে না।

বাড়ির কোনও কল নোং‌রা হয়েছে? কিংবা বেসিনের গায়ে দাগ জমেছে? কল বা বেসিনের গা পরিষ্কার করতে ব্যবহার করুন ব্রাশ। ভিনিগার বা লেবুর রস মিশিয়ে নিন ব্রাশে। এ বার হাতের চাপে কিছুটা ঘষলেই উঠে যাবে এই দাগ। বাড়ির টাইলস পরিষ্কার করতেও একই পদ্ধতি গ্রহণ করুন।

শীত আসছে, ঠোঁট ফাটার সমস্যাও শুরু হবে অচিরেই। হাতের কাছে তৈরি রাখুন পুরনো টুথব্রাশ। কোনও কেমিক্যাল ছাড়াই এমনিই ঠোঁটের উপর ঘষুন ব্রাশ। এতে মৃতকোষ ঝরে গিয়ে ঠোঁটের যত্ন নেবে।

বাড়ির চিরুণি পরিষ্কার করতে ব্যবহার করুন টুথব্রাশ। সরু দাঁড়া হোক বা মোটা দাঁড়া— ব্রাশে সাবান লাগিয়ে চিরুণিতে ঘষলেই সহজে পরিষ্কার হবে চিরুণি।

সূক্ষ্ম নকশার ধাতব কোনও গয়না বা মূর্তি পরিষ্কার করতেও সাহায্য নিন ব্রাশের। ব্রাশেল নানা খাঁজে পৌঁছে সহজেই তা পরিষ্কার করবে।

বাড়ির গ্রিলের কারুকাজে সূক্ষ্ম নকশা আছে? কাপড়ের পক্ষে সেই খাঁজ অবধি পৌঁছে তার ধুলো পরিষ্কার করা সম্ভব নয়। এ ক্ষেত্রেও শরন নিন টুথব্রাশের।

Tuesday, October 30, 2018

বিক্রয় বৃদ্ধির সম্ভাব্য উপায় ।


যখন আপনার কাছে একটি পণ্য থাকবে এবং সেবা দেওয়ার ক্ষমতা থাকবে তখনই আপনি পণ্যটি বিক্রয় করার ক্ষমতা রাখেন। আর একটি প্রতিষ্ঠানের মুনাফাই উঠে আসে তার বিক্রিত পণ্য থেকে। এখন আমরা আলোচনা করব কিভাবে বিক্রয় বৃদ্ধি করা সম্ভব।

☑ গ্রাহকের সাথে পরিচিত হনঃ
প্রথমেই আপনার গ্রাহকের সাথে পরিচিত হবেন। আপনার পণ্য সম্পর্কে তাকে আগ্রহী করে তোলার আগে আপনার গ্রাহককে বুঝতে হবে। গ্রাহক কি ধরনের পণ্য পছন্দ করতে পারে। আপনি যদি একজন গ্রাহক সম্পর্কে জানেন তাহলে আপনি অনুমান করতে পারবেন গ্রাহক কি ধরনের পণ্য চায়।

☑ গ্রাহককে সন্তুষ্ট করুনঃ
আপনার গ্রাহককে সন্তুষ্ট ও খুশি রাখার চেষ্টা করুন। একজন বিক্রেতার ব্যবহারের মাধ্যমেই গ্রাহকের মন পেতে পারেন। সবাইকে হাসি মুখে আপ্যায়ন জানাবেন। ক্রেতারা অনেক ধরনের প্রশ্ন করতে পারে। আপনাকে তার সন্তুষ্টির জন্য হাসি-মুখে সকল প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। গ্রাহকের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ আচরন করতে হবে।

☑ শুনুনঃ
গ্রাহক কি চায় শুনুন এবং বোঝার চেষ্টা করুন। সব গ্রাহকরাই এক রকম না। গ্রাহক আপনার দোকানে আসলে আপনি এগিয়ে যাবেন তার কথা আকাঙ্ক্ষা গুলো মন দিয়ে শুনবেন। অন্য গ্রাহককেও আপনার পণ্যটি সম্পর্কে বলবে।

☑ পূর্ণ মনোযোগ দিনঃ
যখন একজন গ্রাহক আপনার কাছে আসবে তখন তার উপর পূর্ণ মনোযোগ দিন, আর তা যদি না বুঝেন বিরক্তি প্রকাশ না করে আবার জিজ্ঞেস করবেন।

☑ আপনার পণ্য/সেবার মান প্রদর্শনঃ
আপনি যে পণ্যটি বিক্রয় করবেন তার মানের উপর নির্ভর করবে বিক্রয়। বিক্রয় বৃদ্ধির লক্ষে অবশ্যই পন্যের মানের উপর নজর দিন। যদি পন্যের মান ভালো হয় তাহলে গ্রাহক খুশি হবে এবং সে পুনরাই পণ্যটি ক্রয় করবে। এখানেই শেষ না গ্রাহকের কাছে যদি পণ্যের মান ভালো লাগে সে তখন আরেকজনকে বলবে। এভাবেই আপনার বিক্রয় বৃদ্ধি পাবে।

☑ বাজারের অবস্থা সম্পর্কে ধারনাঃ
আপনার পণ্যটি সম্পর্কে গ্রাহকের মন্তব্য জানুন। বর্তমান বাজারে আপনার পণ্যটির অবস্থান জানার চেষ্টা করুন। এছাড়া আপনার বাজারের অবস্থা জানলে আপনি ভাবতে পারবেন কিভাবে আর কি করলে বিক্রয় বৃদ্ধি সম্ভব।

☑ গ্রাহকের সাথে নিয়মিত সম্পর্ক বজায় রাখুনঃ
একজন ক্রেতা ঘরের লক্ষী। একজন গ্রাহকের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখুন এতে আপনার বিক্রয় বৃদ্ধি সম্ভব।

☑ আকর্ষণীয় অফারঃ
অনেক কোম্পানি তাদের বিক্রয় বৃদ্ধির জন্য তাদের পন্যের সাথে আকর্ষণীয় অফার দেয়। যেমন- একটি কিনলে একটি ফ্রি, অথবা এই পণ্যটি কিনলে টিভি, ফ্রিজ দেওয়া হবে। এভাবে আরও অনেক কিচুর অফার দিয়ে ক্রেতাকে আকর্ষণ করে তাদের বিক্রয় বৃদ্ধি করে থাকে। ফলে তাদের মুনাফা বৃদ্ধিও সম্ভব।
☑ বিজ্ঞাপনঃ
বিক্রয় বৃদ্ধির জন্য বিজ্ঞাপন একটি বড় মাধ্যম। বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে গ্রাহকরা যে কোন পণ্য সম্পর্কে সহজেই জানতে পারছে। তাইতো এখন বেশিরভাগ কোম্পানি তাদের বিক্রয় বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে বিজ্ঞাপনের জন্য কিছু টাকা আলাদা বিনিয়োগ হিসেবে করে। বিজ্ঞাপন অনেক ভাবেই করা যায়। টিভিতে, রেডিওতে, পত্রিকায়, অনলাইনে আরও অনেক ভাবে। বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় হচ্ছে অনলাইন মার্কেটিং। সল্পখরচে আপনি আপনার পন্যের বিজ্ঞাপন দিতে পারছেন। আর এখন অনেকেই অনলাইন থেকে মার্কেট করে থাকে। সুতরাং আপনার বিক্রয় প্রসারের জন্য বিজ্ঞাপনের গুরুত্ত অনেক।

☑ নেটওয়ার্ক মার্কেটিং সম্পর্কিত জ্ঞান লাভ করুনঃ
নেটওয়ার্ক মার্কেটিং পদ্ধতি বা মাল্টিলেভেল পদ্ধতির আওতা বেশ বড়। অত্যাধুনিক কমিশন প্লান ও পণ্য সামগ্রীর আবিষ্কারের ফলে নেটওয়ার্ক মার্কেটিং পদ্ধতি প্রতিনিয়ত নতুন সংস্করনরূপে আসছে সেমিনার বা দু’একটি প্রশিক্ষণ গ্রহন করে এ সম্পর্কে জ্ঞানলাভ করা সম্ভব নয়। সারা বিশ্বব্যাপী হাজারো নেওর্য়াকার, বিশেষজ্ঞ পরামর্শদাতা ও ডিস্ট্রিবিউটর এ ব্যবসা পদ্ধতি নিয়ে গবেষনা করে আসছে। স্বাভাবিকবাবেই প্রশিক্ষণ ব্যতীত নেটওয়ার্ক মার্কেটিং সম্পর্কিত জ্ঞান লাভ করা প্রায় অসম্ভব। নেটওয়ার্ক মার্কেটিং সম্পর্কিত জ্ঞান লাভ করে আপনার বিক্রয় বৃদ্ধি করতে পারেন।

☑ বিক্রয় কৌশল আয়ত্ত করাঃ
বিক্রয় বৃদ্ধির জন্য অনেক ধরনের কৌশল আছে। সেগুলো সম্পর্কে জানলে আপনার বিক্রয় বৃদ্ধি করা সম্ভব। এখন অনেক প্রশিক্ষণের জন্য প্রতিষ্ঠান চালু আছে।

☑ পণ্য সম্পর্কিত ধারণা লাভঃ
নেটওয়ার্ক মার্কেটিং পদ্ধতি অনুসরনকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ সাধারণত নতুন ও অসামঞ্জস্যপূর্ণ পণ্য বাজারজাত করে। নতুন ও পরিবর্তিত পণ্যের জন্য প্রশিক্ষণ প্রদান যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের গুণাগুন, পণ্যের বৈশিষ্ট্য ও বিশেষত্ব সম্পর্কে ধারনা লাভের জন্য প্রশিক্ষণ গ্রহন করা প্রয়োজন। সাধারণত সব ধরনের পণ্য সামগ্রীর ব্যাপারে ক্রেতাদের জানা থাকেনা এবং অধিকাংশ পণ্যের গুণাগুন সম্পর্কে ধারনা থাকেনা। ডিস্ট্রিবিউটর ও লিডারদের সব পণ্য সম্পর্কে ভাল ধারনা থাকার জন্য প্রশিক্ষণ গ্রহন করা উচিত।

☑ মনোবল বৃদ্ধিঃ
যে কোন কাজের সফলতা অনেকাংশে নির্ভর করে মনোবলের উপর দৃঢ় মনোবল দ্বারা অনেক জটিল কাজ সহজে সম্পাদন করা সম্ভব। প্রশিক্ষণ গ্রহনের পূর্বে নেটওয়ার্ক পদ্ধতি সম্পর্কে অনেকেরই স্বচ্ছ ধারনা থাকেনা যার দরুন এ সম্পর্কিত সব কিছুই অসম্ভব মনে হতে পারে। প্রশিক্ষণ গ্রহনের পর মনোবল বেড়ে যায় এবং কাজের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি হয়। সফলতা প্রাপ্তির জন্য মনোবল বৃদ্ধি আবশ্যক। আর বিক্রয় বৃদ্ধির জন্য মনোবল বৃদ্ধি আবশ্যক।

☑ পন্যের মোড়কঃ
অনেক ক্রেতা পন্যের মোড়ক কেমন আর তা কতটা আকর্ষণীয় তা দেখে পণ্য ক্রয় করে থাকে। যে সমস্ত পন্যের মোড়ক আছে চেষ্টা করবেন আকর্ষণীয় ভাবে পন্যের মোড়ক তৈরি করতে।

☑ ব্যক্তিত্বের উন্নয়নঃ
উন্নত ব্যক্তিত্বের মাধ্যমে নেতৃত্ব প্রদানে অগ্রগামী হওয়া সম্ভব। পুথিঁগত বিদ্যর্জন করে অনেকেই উন্নত ব্যক্তিত্বের অধিকারী হতে পারে না। বস্তুত উন্নত ব্যক্তিত্ব নেতৃত্ব প্রদানে ভূমিকা পালন করে না বরং সাফল্যের শীর্ষবিন্দুতে পৌছাঁতেত্ত সাহায্য

🎲 আপনাকে বিনীত ভাবে অনুরোধ করছি যদি আমাদের এই ছোট্ট উদ্যোগ আপনাদের যদি ভালো লেগে থাকে তবে সর্বদা আমাদের পাশে থেকে আমাদের সাহস বাড়াতে পোস্ট গুলোতে লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করে আমাদের কাজের স্পৃহা আরো বাড়িয়ে দিতে আপনারা বিশেষ ভূমিকা রাখবেন এবং সেই সাথে আপনার একটি শেয়ার হয়তো আপনার নিকটস্থ কারো জন্য একটি নতুন দরজা খুলে দিতে পারে ।

আপনারা সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন, ধন্যবাদ সবাইকে ।

Source: Business Idea Park- Bangladesh 

Monday, October 29, 2018

সঠিক উপায় জানলে বিজনেস এর ডিক্শনারিতে লস বলে কোনো শব্দ নেই

আজকে বেশি তত্বীয় কথা না বলে, বিজনেস এর কিছু বাস্তবিক উদহারন নিয়ে আলোচনা করি । ধরুন আপনি তৈরী পোষাকের ব্যবসা করতে আগ্রহী। আপনি মনে করছেন, তৈরী পোষাকের ব্যবসায় ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ আছে। আপনার ক্যাপিটাল ১০ লাখ টাকা। আপনাকে সবার আগে এই জানতে হবে এই ব্যবসার খুঁটিনাটি দিকগুলো। যেমন, তৈরি পোষাকের পাইকারি বাজার কোথায়, খুচরা বাজার কোথায়, পাইকারী এবং খুচরা বাজারের মধ্যে দামের পার্থক্য। যদি নিজে পোষাক প্রস্তুত করতে চান, তাহলে প্রয়োজনীয় কাঁচামাল আপনি কোথায় পাবেন, ফ্যাক্টরী কোথায় পাবেন। ফ্যাক্টরীতে কিভাবে অর্ডার দিতে হয় এবং আপনার তৈরীকৃত পোষাকের বাজার কোথায়?

বাজারে সকল বয়সী মানুষদের পোষাক পাওয়া যায় এবং আমাদের দেশে তৈরী পোষাকের চাহিদা ব্যাপক। ধরুন আপনি সিদ্ধান্ত নিলেন, আপনি বাচ্চা এবং মেয়েদের পোষাক বিক্রি করবেন। প্রাথমিকভাবে আপনি ঠিক করলেন, ঢাকার আশেপাশে অঞ্চলগুলোতে আপনি পাইকারীভাবে পোষাক কিনে খুচরা বিক্রেতাদের কাছে বিক্রি করবেন। এই ক্ষেত্রে প্রথমেই আপনাকে সেই বাজারগুলোতে রেকি করতে হবে। সেখানে বিভিন্ন দোকানদার যারা ঢাকা থেকে পন্য কিনে আনেন তাদের সাথে যোগাযোগ করলেন, তাদের চাহিদা সম্পর্কে অবহিত হলেন। আপনার প্রস্তাবিত কিছু পন্যের নমুনা বা স্যাম্পল দেখিয়ে বাজার যাচাই করলেন। দিনশেষে দেখলেন, এখানে পোষাক সরবরাহ করতে পারলে দিন শেষে সকল খরচ বাদ দিয়ে পার পিসে নূন্যতম ৫/৬ টাকা প্রফিট করতে পারবেন। মার্কেট ধরার জন্য প্রথমে প্রচলিত স্টাইলে কিছুটা কম লাভ করলে ভালো। যদি কিছু অগ্রীম অর্ডার নিতে পারেন, তাহলে সেটা হবে এই পর্যায়ে আপনার সেরা অর্জন। এই অভিজ্ঞতাই আপনার আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধিতে দারুন সাহায্য করবে।

এরপর একটি ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে, ব্যাংকে আপনার প্রতিষ্ঠানের নামে একটি কারেন্ট একাউন্ট খুলে আপনার নির্ধারিত মুলধনের দশভাগের একভাগ সেখানে ক্যাপিটাল হিসেবে জমা দিয়ে ব্যবসায় নেমে পড়ুন। ধরে নিন, এই এক লাখ টাকা আপনার সর্বোচ্চ মুলধন। এই এক লাখ টাকায় আপনি বাচ্চাদের জন্য বিভিন্ন ক্যাটাগরীর প্রায় ১০০০/১৫০০ পিস পোষাক পাইকারীভাবে কিনতে পারবেন। সকল খরচ বাদ দিয়ে যদি প্রাথমিকভাবে নূন্যতম ৫ টাকা করে প্রফিট করতে পারেন, তাহলে ৫০০০ থেকে ৭৫০০ টাকা প্রফিট হতে পারে। যদি মাসে দুইবার পোষাক সরবরাহ করতে পারেন, তাহলে মাসিক লেনদেন দুই লাখ টাকা এবং প্রফিট ১০/১৫ হাজার টাকা। ছোট অবস্থায় এই লেনদেন এবং লাভ কোন অংশেই ছোট নয়। পাশাপাশি, ছোটবড় সকল লেনদেন আপনার ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমেই করুন। মাঝে মাঝে কিছু টাকা জমা দিয়ে, দুই একদিন পর তা আবার তা তুলে ফেলুন। এতে আপনার একাউন্টের বার্ষিক লেনদেন ভালো হবে, আপনার একাউন্ট প্রোফাইল ভারী হবে। যা ভবিষ্যতে খুবই্ কার্যকরী ভুমিকা পালন করবে। নিয়মিত ব্যাংকে যান, ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সাথে কিছুটা যোগাযোগ রাখুন। একজন ভালো নিয়মিত ক্লায়েন্ট হিসেবে ব্যাংকে আপনার পরিচয় নিশ্চিত করুন। মনে রাখবেন, পাইকারী বাজার, কাঁচা বাজারে যত বেশি ঘোরাফেরা করবেন, পরিচিত মুখ হবেন ও ভালো ব্যবহার এবং সৎ ভাবে কাজ করবেন ততবেশি ব্যবসায়ীদের আস্থা অর্জন করবেন।

এই পাইলট প্রজেক্ট যদি ৫০ ভাগও সফল হয়, ততক্ষনে এই খাতের অনেক খুঁটিনাটিই জেনে যাবেন। তখন বাজারের চাহিদা বুঝে আরো কিছু টাকা চাইলে বিনিয়োগ করতে পারেন। এটা হবে তুলনামুলক নিরাপদ বিনিয়োগ। পাশাপাশি, নতুন ক্রেতা এবং বাজার তৈরী করুন। একজন ভালো ব্যবসায়ী চেষ্টা করেন অল্প সময়ে তার মুলধনকে বার বার ব্যবহার করতে। যতবার মুলধনের সর্বোচ্চ ব্যবহার করবেন, ততবেশি লাভ হবে। তবে মনে রাখবেন, অতি লোভে তাতি নষ্ট।

এরপর ধীরে ধীরে আপনি মুল ব্যবসায় প্রবেশ করবেন। তবে কোনভাবেই আপনার নির্ধারিত মুলধনের অর্ধেকের বেশি আপনি এই পর্যায়ে বিনিয়োগ করবেন না। বাকি মুলধন হচ্ছে, আপনার রিস্ক নেয়ার সাহস। ব্যবসার সাথে ঝুঁকি জড়িত। তবে এই ঝুঁকিটা হতে হবে ক্যালকুলেটিভ রিক্স। আপনার ব্যবসা এক বছর অতিবাহিত হলে, যথাযত ক্রেতা তৈরী হলে, বাজার বড় হলে, আপনি ধীরে ধীরে পোষাক তৈরী সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করুন। চেষ্টা করুন প্রতিমাসে নূন্যতম ১০/১৫ হাজার পিস তৈরী পোষাক সরবরাহ করতে। মনে রাখবেন বড় স্কেলে পোষাক সরবরাহ পিস হিসেবে হয় না, ডজন হিসেবে হয়। হিসেবের সুবিধার জন্য পিস হিসেবে আলোচনা করছি। এই পর্যায়ে যদি সব খরচ বাদ দিয়ে আপনি ১০ টাকা পার পিস প্রফিট করতে পারেন, তাহলে মাসে প্রায় দেড় লাখ টাকা আপনি আয় করছেন।

আপনি চাইলে এই পর্যায়েই থাকতে পারেন অর্থাৎ ব্যবসা চাইলে নাও বাড়াতে পারেন। যদি আপনি আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে আরো উঁচুতে দেখতে চান, তাহলে আরো শেকড়ে যেতে হবে, অর্থাৎ পোষাক তৈরীর কথা চিন্তা করতে হবে। এই সংক্রান্ত সকল খরচ এবং তথ্য আপনি নিজেই জোগাড় করতে পারবেন। একটা ফ্যাক্টরী দেয়া মানে হচ্ছে আপনার নিজস্ব কিছু ক্রেতা প্রস্তুত, আপনার নিজের একটি শোরুম আছে এবং যেখানে আপনি পাইকারী ও খুচরা বিক্রি করেন। ঐ পর্যায়ে না গেলে, ফ্যাক্টরী দিয়ে বিপদে পড়তে হবে। প্রথমেই এক লাইনের (সাধারনত ২০ টা মেশিন নিয়ে এক লাইন তৈরী হয়) ফ্যাক্টরী না দিয়ে, আপনার প্রতিষ্ঠানের নামে দুই তিনটা পুরানো মেশিন নিয়ে পরীক্ষামুলক কাজ করতে পারেন। যদি আপনার নিজের অর্ডার এই দুই তিনটা মেশিনে না কুলায়, তাহলে আরো কিছু পুরানো মেশিন কিনতে পারেন। হাতে টাকা থাকলেও আপনি এই পর্যায়ে ব্যাংকের দারস্ত হতে পারেন।

ধরে নিচ্ছি, এই পর্যায়ে আসতে আপনার প্রায় তিন বছর সময় লেগেছে, এই তিন বছরে আপনার প্রতিষ্ঠানের মাসিক টার্নওভার ২ লাখ টাকা থেকে বেড়ে ২০ লাখ হয়েছে (মাসিক টার্নওভার মানে হচ্ছে একটি প্রতিষ্ঠান প্রতিমাসে কত টাকার লেনদেন করে)। অর্থাৎ বছরে প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ টাকা। যেহেতু আপনি দীর্ঘদিন ব্যাংকের সাথে সুসম্পর্ক রেখেছেন, আপনার মাধ্যমে ব্যাংক উপকৃত হয়েছে, ব্যাংকের ম্যানেজার আপনাকে ভালো একজন ক্লায়েন্ট হিসেবে চেনে। এই পর্যায়ে আপনি যদি এসএমই লোনের জন্য এপ্লাই করেন, তাহলে যোগ্য ব্যক্তি হিসেবেই ব্যাংক স্বউদ্যোগে আপনাকে লোন দিয়ে দিবে। এটা প্রায় শতভাগ নিশ্চিত। তবে বেশি টাকা লোন না নিয়ে, ৫ লাখ টাকা লোন নিয়ে তা দিয়ে মেশিনারী কিনে এক বছর ব্যবসা করে দ্রুত যদি সময়ের আগে ফেরত দিতে পারেন, তাহলে আপনি ব্যাংকের একজন সেরা কাস্টমার হিসেবে বিবেচিত হবেন। এই পরিচয়, এই ভালো সম্পর্ক খুবই গুরুত্বপূর্ন, যা ভবিষ্যতে কাজে দিবে। মনে রাখবেন, ব্যাংক কোন দাতব্য প্রতিষ্ঠান নয়। ব্যাংক নিজে একটি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান। ব্যাংকের কাছে আপনার আমার অর্থ গচ্ছিত থাকে। ইচ্ছেমত লোন তারা দিতে পারে না। দায়িত্বের ব্যাপার থাকে। যারা ব্যাংক লোন দেয় না বলে চিৎকার করেন, তারা সঠিক পদ্ধতি অনুসরন করেন না বলেই আমি শতভাগ নিশ্চিত। সঠিক কাগজপত্র থাকলে, নিয়ম অনুসরন করলে এবং ধৈর্য ধরলে ব্যাংক আপনার পিছনে দৌড়াবে।

এইভাবে আস্তে ধীরে আপনি ছোট ছোট টাইম ফ্রেম এবং পরিকল্পনা করে এগিয়ে যাবেন। একটা পর্যায়ে আপনার পরিশ্রম, ভালোবাসা, বুদ্ধি, মেধা, সততা এবং সর্বপরি যোগ্যতা দিয়ে হয়ত বড় একটি ফ্যাক্টরীর মালিক হয়ে যেতে পারেন। বিদেশী বায়ারের জন্য নিজে চেষ্টা করবেন, যোগাযোগ করবেন, বিজিএমই এর সাহায্য নিবেন। ১০ বছর পর যদি সব ঠিক থাকে তাহলে আপনার প্রতিষ্ঠানে হয়ত ১০/১২ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে।

মনে রাখবেন ব্যবসা মুলত একটি বটবৃক্ষের বীজের মত। ধীরে ধীরে তা মহিরূহতে পরিনত হয়। রাতারাতি বড়লোক হবার কোন বৈধ পদ্ধতি নেই। সম্প্রতি দেশের মানুষ সবচেয়ে বেশি ইনভেস্ট করছে খাবারের ব্যবসায়, আমদানি, রপ্তানিতে। কারন কথিত আছে, এই সকল ব্যবসা খুবই লাভজনক। অথচ প্রতিটি ব্যবসাই লাভজনক, যদি তা সঠিক পরিকল্পনায় করা যায়। তাই অভিজ্ঞতা থাকুক বা না থাকুক, কিছু বুঝুক বা না বুঝুক অন্যের দেখাদেখি অনেকেই ব্যবসায় বিনিয়োগ করছেন। কেউ সফল হচ্ছেন আবার কেউ মাঝপথে দিশা হারিয়ে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। সেই বিফল অংশকে মাথায় রেখে এই বিশাল বড় পোস্টটি। আশা করি এই উদহারন থেকে তারা ব্যবসা সম্পর্কে অল্প কিছু ধারনা পাবেন। এমন নয় যে, এই পোস্ট পড়ে সকলেই সফল ব্যবসায়ী হবেন, তবে সফল ব্যবসায়ী হবার ধাপগুলো সম্পর্কে হয়ত কিছুটা পরিষ্কার ধারনা পাবেন।

🎲 আপনাকে বিনীত ভাবে অনুরোধ করছি যদি আমাদের এই ছোট্ট উদ্যোগ আপনাদের ভালো লেগে থাকে তবে অবশ্যই লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করে আমাদের কাজের স্পৃহা আরো বাড়িয়ে দিতে আপনারা বিশেষ ভূমিকা রাখবেন এবং সেই সাথে আপনার একটি শেয়ার হয়তো আপনার নিকটস্থ কারো জন্য একটি নতুন দরজা খুলে দিতে পারে । আপনারা সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন, ধন্যবাদ সবাইকে ।
Source: Business Idea Park 

কাস্টমার, কনজ্যুমার, ক্লায়েন্ট কেমন হয়? কাকে কিভাবে ডিল করবেন?

যখনি কেউ কোন পণ্য বা সেবা ক্রয় করে, সে কাস্টমার। আর যে ব্যাবহার করে সে হচ্ছে কনজ্যুমার। এখানে একজন কাস্টমার চাইলে নিজের ব্যাবহ...